
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, এবারের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যেই হজে গমনেচ্ছুদের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
নিবন্ধনের খরচ ও প্রক্রিয়া সরকারি বা বেসরকারি যে মাধ্যমেই হোক না কেন, হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য জনপ্রতি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। তবে এর আগে প্রত্যেক হজযাত্রীকে আবশ্যিকভাবে ৩০ হাজার টাকা ফি দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
প্রাথমিক নিবন্ধিত ব্যক্তিদের চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।
কারা হজে যেতে পারবেন না?
এবার হজযাত্রীদের শারীরিক সক্ষমতার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ১৫ বছরের নিচে কেউ হজে অংশ নিতে পারবে না।
পাশাপাশি হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির জটিল রোগ এবং স্নায়বিক বা মানসিক ব্যাধিতে (যেমন- ডিমেনশিয়া) আক্রান্ত রোগীরা হজের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। যেসব ক্যানসার রোগী বর্তমানে কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি নিচ্ছেন, তারাও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন।
এছাড়া যক্ষ্মা বা হেমোরেজিক ফিভারের মতো সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্তদেরও হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীরা হজের জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফিটনেস সনদ পাবেন না।
কোথায় ও কীভাবে নিবন্ধন করবেন? হজে গমনেচ্ছুরা সরকারি ই-হজ সিস্টেমে (hajj.gov.bd) নিজস্ব ইউজার আইডি তৈরি করে ঘরে বসেই নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, মডেল মসজিদ এবং ঢাকা হজ অফিসেও নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সরকারি মাধ্যমের যাত্রীদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে হবে। অন্যদিকে, বেসরকারি মাধ্যমের যাত্রীদের নিজ নিজ হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।